সোমেশ্বরী নদী
বালুর চওড়া বুক জুড়ে বয়ে চলা স্বচ্ছ পাহাড়ি নদী, সূর্যাস্তে পেছনে গারো পাহাড়।
মেঘালয়ের গারো পাহাড় থেকে নেমে সোমেশ্বরী বয়ে গেছে দুর্গাপুর শহরের পাশ দিয়ে, লালচে বালুর চওড়া খাতের ওপর দিয়ে স্বচ্ছ অগভীর পানি। শীতে নদী সরু ধারায় ভাগ হয়ে যায়, প্রায় হেঁটেই পার হওয়া যায়। সূর্যাস্তের সময় দিগন্তে আলোয় রাঙা পাহাড় নিয়ে দুর্গাপুরের নদীর পাড়ই বিরিশিরির সবচেয়ে চেনা দৃশ্য।
নদীটি আবার অনেক মানুষের কর্মস্থলও—শত শত মানুষ বালু তোলেন, পাহাড় থেকে ভেসে আসা কয়লার টুকরো চেলে আলাদা করেন। সারাদিন দুর্গাপুর আর বিজয়পুরের দিকে নৌকা পারাপার চলে। ভোরবেলা পানির ওপর নরম আলো আর মাঝিদের ছায়ামূর্তি—ছবি তোলার জন্য চমৎকার সময়।
কীভাবে যাবেন
নেত্রকোণা শহর থেকে বাস বা সিএনজিতে দুর্গাপুর দেড়-দুই ঘণ্টা (১০০-১৫০ টাকা)। দুর্গাপুর বাজার থেকে হেঁটে বা রিকশায় অল্প পথেই নদীর ঘাট; পারাপার ১০-২০ টাকা।
কোথায় থাকবেন
বিরিশিরি ও দুর্গাপুরের গেস্টহাউস ও ছোট হোটেল (৮০০-৩,০০০ টাকা)।