রানীখং মিশন

সোমেশ্বরীর পাড়ে টিলার ওপর শতবর্ষী ক্যাথলিক মিশন, চারদিকে নদী আর পাহাড়ের খোলা দৃশ্য।

রানীখং মিশন

দুর্গাপুর উপজেলায় মেঘালয় সীমান্তের কাছে সোমেশ্বরী নদীর পাশের এক টিলায় ১৯১২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ক্যাথলিক মিশন রানীখং। এর গির্জা, স্কুল আর ছাত্রাবাস আশপাশের গারো জনগোষ্ঠীর সেবা করে, আর দীর্ঘদিন ধরে মিশনটি পাহাড়ি আদিবাসীদের শিক্ষা ও সমাজসেবার কেন্দ্র।

দর্শনার্থীরা আসেন গির্জা চত্বরের শান্ত পরিবেশ আর টিলার চূড়া থেকে দেখা দৃশ্যের টানে—নিচে সোমেশ্বরীর বাঁক, দক্ষিণে সমতল আর উত্তরে মাথা তোলা গারো পাহাড়। সাধারণত বিজয়পুরের সাদামাটির পাহাড়ের সঙ্গে একই পথে এটি ঘোরা হয়। বড়দিনে এখানকার উৎসব বিশেষভাবে জমজমাট।

কীভাবে যাবেন

দুর্গাপুর থেকে নৌকায় সোমেশ্বরী পার হয়ে মোটরসাইকেল বা অটোরিকশায় রানীখং ২০-৩০ মিনিট (সাধারণত বিজয়পুরসহ ৪০০-৭০০ টাকার প্যাকেজ)। নেত্রকোণা শহর থেকে দুর্গাপুর বাস বা সিএনজিতে দেড়-দুই ঘণ্টা।

কোথায় থাকবেন

বিরিশিরির গেস্টহাউস, যেমন ওয়াইএমসিএ ও ওয়াইডব্লিউসিএ (৮০০-৩,০০০ টাকা)।

ভ্রমণ টিপস: এটি সক্রিয় মিশন; গির্জা ও স্কুলের কাছে শান্ত থাকুন, শালীন পোশাক পরুন, মানুষের ছবি তোলার আগে অনুমতি নিন।

আপনার আরও ভালো লাগতে পারে