আপনার মতো পথিকদের খুঁজে আনা কম-চেনা জায়গা।
যাদুকাটা নদীর পাড়ে সীমান্তঘেঁষা সবুজ টিলা, ওপর থেকে পাহাড়, নদী আর হাওরের অবারিত দৃশ্য।
রাজকান্দি বনের গভীরে লুকানো ঝরনা, যেতে হয় কাদামাখা জঙ্গুলে পথ ধরে হেঁটে।
ধলাই নদীর বুকে সাদা পাথরের বিস্তীর্ণ বিছানা, ঠান্ডা স্বচ্ছ পানি আর পেছনে মেঘে ঢাকা পাহাড়।
চোখ ধাঁধানো নীল-সবুজ পানি আর চা-বাগান ঘেরা তীর ধরে সারি নদীতে নৌকাভ্রমণ।
নাটোর শহরের উত্তরে বিস্তীর্ণ বিল, বর্ষায় যেখানে ডুবো সড়ক যেন পানির ওপর ভাসতে থাকে।
দেশের ফুলের রাজধানী—ঝিকরগাছার কাছে যত দূর চোখ যায় গোলাপ, জারবেরা, গাঁদা আর গ্লাডিওলাস।
শরীয়তপুর শহরে প্রাচীন এক ব্রাহ্মণ পরিবারের বাড়ি, যেখানে মনসা, কালী ও দুর্গার মন্দির।
মীরসরাইয়ের পাহাড়ে ধাপে ধাপে নেমে আসা ঝরনা, পাথুরে ছড়া ধরে রোমাঞ্চকর হাঁটাপথ।
সীতাকুণ্ডের কাছে ব্যতিক্রমী সবুজ সৈকত — ঘাসের গালিচা, কেওড়া বন আর আঁকাবাঁকা খাল এসে মিশেছে সাগরে।
আলুটিলার কাছে ঢালু পাথরের ঝরনা, মসৃণ পাথর বেয়ে পিছলে কুণ্ডে নামেন অনেকে।
দুর্গম থানচিতে রেমাক্রি খালের চওড়া, প্রবল জলপ্রপাত; সাঙ্গু বেয়ে নৌকা আর জঙ্গলপথে হেঁটে যেতে হয়।
বলেশ্বর আর বিষখালীর মোহনায় ম্যানগ্রোভ বনের পাশে অক্ষত এক সৈকত।