বিজয়পুর সাদামাটির পাহাড়

মেঘালয় সীমান্তের কাছে সাদা-গোলাপি মাটির পাহাড় আর নীলচে-সবুজ পানির লেক।

পাহাড় নেত্রকোণা, ময়মনসিংহ এখন ঘোরার ভালো সময়
বিজয়পুর সাদামাটির পাহাড়

দুর্গাপুর উপজেলার কুল্লাগড়া ইউনিয়নে, মেঘালয় সীমান্তের কাছে, কয়েক দশক ধরে সাদামাটি (কেওলিন) তোলার ফলে তৈরি হয়েছে দেশের আর কোথাও না দেখা এক দৃশ্যপট—সাদা, গোলাপি আর হলদেটে রেখায় আঁকা নিচু টিলা, আর খাদে জমে থাকা চোখ ধাঁধানো নীলচে-সবুজ পানি। ২০২১ সালে বিজয়পুরের সাদামাটি ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের স্বীকৃতি পায়।

সবচেয়ে পরিচিত ভিউপয়েন্ট থেকে দেখা যায় ‘নীল লেক’; সেখানে যেতে দুর্গাপুর থেকে সোমেশ্বরী পার হয়ে গারো ও হাজং গ্রামের ভেতর দিয়ে যেতে হয়। বেশিরভাগ পর্যটক বিরিশিরি থেকে এক দিনেই সাদামাটির পাহাড়, রানীখং মিশন আর সোমেশ্বরী নদী ঘুরে নেন, আর দিনের শেষে সূর্যাস্ত দেখেন নদীর পাড়ে।

কীভাবে যাবেন

নেত্রকোণা শহর থেকে বাস বা সিএনজিতে দুর্গাপুর-বিরিশিরি দেড়-দুই ঘণ্টা (১০০-১৫০ টাকা)। নৌকায় সোমেশ্বরী পার হয়ে (১০-২০ টাকা) মোটরসাইকেল বা অটোরিকশায় বিজয়পুর প্রায় ৩০ মিনিট (প্রধান জায়গাগুলো মিলিয়ে ঘোরার ভাড়া ৪০০-৭০০ টাকা)।

কোথায় থাকবেন

বিরিশিরিতে ওয়াইএমসিএ ও ওয়াইডব্লিউসিএ গেস্টহাউস আর কয়েকটি ছোট হোটেল-রিসোর্ট আছে (৮০০-৩,০০০ টাকা)।

ভ্রমণ টিপস: ভেজা অবস্থায় মাটির ঢাল খুব পিচ্ছিল, পানির কিনারে নামবেন না। সীমান্তের কাছে বিজিবি মাঝে মাঝে পরিচয়পত্র দেখতে চায়, তাই জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখুন।

আপনার আরও ভালো লাগতে পারে