মথুরাপুর দেউল
চন্দনা নদীর কাছে পোড়ামাটির অলংকরণে সাজানো ষোলো-সতেরো শতকের উঁচু ইটের দেউল।
মধুখালীর খেতের মাঝে প্রায় ২১ মিটার উঁচু মথুরাপুর দেউল বাংলাদেশে টিকে থাকা রেখ-রীতির উঁচু মন্দিরচূড়ার বিরল নিদর্শন। গবেষকেরা একে ষোলো বা সতেরো শতকের স্থাপনা মনে করেন; স্থানীয় জনশ্রুতিতে মোগল আমলের সেনাপতি সংগ্রাম সিংহের নাম শোনা যায়, যদিও নিশ্চিত করে কেউ বলতে পারেন না।
বারো কোণের দেউলের ভেতরে ছোট একটি কক্ষ, আর বাইরের দেয়ালে এখনো সারি সারি পোড়ামাটির ফলকে মানুষ, অশ্বারোহী ও লতাপাতার নকশা। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সংরক্ষিত এই স্থাপনা শান্ত গ্রামীণ পরিবেশে দাঁড়িয়ে, তাই কাছের চন্দনা নদীর পাড়ে খানিক হাঁটাও সেরে নেওয়া যায়।
কীভাবে যাবেন
ফরিদপুর থেকে মাগুরা বা যশোরগামী বাসে মধুখালী নামুন (প্রায় ৪০ মিনিট, ৫০-৮০ টাকা), তারপর মধুখালী-বালিয়াকান্দি সড়ক ধরে প্রায় ২ কিলোমিটার উত্তরে অটো বা ভ্যানে (১০ মিনিট, ৩০-৬০ টাকা)।
কোথায় থাকবেন
মধুখালীতে থাকার ব্যবস্থা নেই বললেই চলে; ফরিদপুর শহরে থাকুন (১,৫০০-৪,০০০ টাকা)।