শালবন বিহার

ময়নামতি পাহাড়ে সপ্তম-দ্বাদশ শতকের বিশাল বৌদ্ধ বিহারের ধ্বংসাবশেষ, ভিক্ষুদের ১১৫টি কক্ষসহ।

শালবন বিহার
Sakib Ahmed Nasim / CC BY-SA 3.0

লালমাই-ময়নামতি পাহাড়ে ছড়িয়ে থাকা বৌদ্ধ প্রত্নস্থলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালোভাবে সংরক্ষিত শালবন বিহার, কুমিল্লা শহর থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে কোটবাড়ির কাছে। খননে বেরিয়ে এসেছে বিশাল বর্গাকার এক বিহার, যার মাঝখানে ক্রুশাকৃতির মন্দির আর চারপাশে ভিক্ষুদের ১১৫টি কক্ষ; সময়কাল মোটামুটি সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতক।

এখানে পাওয়া তাম্রশাসন ও সিলমোহর থেকে জানা যায়, দেব বংশের রাজা ভবদেব এটি প্রতিষ্ঠা করেন; তাই এর আরেক নাম ভবদেব মহাবিহার। আজও ইটের দেয়াল ধরে হাঁটলে স্পষ্ট বোঝা যায় ভিক্ষুদের কক্ষ, প্রবেশদ্বার আর মন্দিরের ভিত। পাশের জাদুঘরে রাখা আছে খননে পাওয়া পোড়ামাটির ফলক, ব্রোঞ্জমূর্তি আর মুদ্রা।

কীভাবে যাবেন

কুমিল্লা শহরের কান্দিরপাড় থেকে সিএনজি বা অটোরিকশায় কোটবাড়ি/শালবন বিহার (প্রায় ২০-৩০ মিনিট; শেয়ারে ৩০-৪০ টাকা, রিজার্ভ ২০০-৩০০ টাকা)।

কোথায় থাকবেন

কুমিল্লা শহরের হোটেল (১,৫০০-৬,০০০ টাকা) অথবা কোটবাড়ির বার্ড গেস্টহাউস।

ভ্রমণ টিপস: প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অন্যান্য স্থানের মতো এটিও রবিবার বন্ধ থাকে, আর সোমবার খোলে শুধু দুপুরের পর। শীতের সকালে ধ্বংসাবশেষ ঘুরে দেখা সবচেয়ে আরামদায়ক।

আপনার আরও ভালো লাগতে পারে