ষাটগম্বুজ মসজিদ

সুলতানি বাংলার সবচেয়ে বড় মসজিদ, ইউনেসকো স্বীকৃত বাগেরহাট মসজিদের শহরের মধ্যমণি।

ষাটগম্বুজ মসজিদ
মোয়ায মাহমুদ / CC BY-SA 4.0

পনেরো শতকের মাঝামাঝি সাধক-শাসক খানজাহান আলীর নির্মিত ষাটগম্বুজ মসজিদ দেশের সবচেয়ে বড় ঐতিহাসিক মসজিদ। ১৯৮৫ সালে ইউনেসকো বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় ঠাঁই পাওয়া বাগেরহাট মসজিদের শহরের প্রাণকেন্দ্র এটি। নাম ষাটগম্বুজ হলেও এর ছাদে আছে ৭৭টি নিচু গম্বুজ, চার কোণে চারটি মিনার, আর সব ভার বইছে ৬০টি সরু পাথরের স্তম্ভ।

পুরু ইটের দেয়াল, বাঁকানো কার্নিশ আর পোড়ামাটির অলংকরণে বোঝা যায় বাংলার নিজস্ব স্থাপত্যরীতি কীভাবে এখানকার মসজিদকে রূপ দিয়েছে। ভেতরে স্তম্ভ আর খিলানের সারি তৈরি করেছে শান্ত, ছায়াময় পরিবেশ, যেখানে আজও নামাজ হয়। পাশের ছোট জাদুঘরে খানজাহানের নগরের ইতিহাস জানা যায়, আর পেছনের বিশাল ঘোড়াদিঘির পাড়ে হাঁটতেও ভালো লাগে।

কীভাবে যাবেন

বাগেরহাট শহর থেকে খুলনা সড়কে প্রায় ৫ কিলোমিটার পশ্চিমে; অটোরিকশা বা ইজিবাইকে মিনিট পনেরো (ভাড়া ২০-৫০ টাকা)। খুলনা থেকে আসা বাসও মসজিদের সামনে থামে (প্রায় ১ ঘণ্টা)।

কোথায় থাকবেন

বাগেরহাট শহরে সাধারণ মানের কয়েকটি হোটেল আছে (৮০০-২,৫০০ টাকা); আরামদায়ক থাকার জন্য এক ঘণ্টা দূরের খুলনা শহর ভালো।

ভ্রমণ টিপস: শালীন পোশাক পরে যান এবং নামাজের সময়, বিশেষ করে জুমার সময় এড়িয়ে চলুন। একই টিকিটে পাশের জাদুঘরও দেখা যায়।

আপনার আরও ভালো লাগতে পারে