সেন্টমার্টিন দ্বীপ
দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ — নীলচে স্বচ্ছ পানি, নারকেল বীথি আর প্রবালছড়ানো তীর।
স্থানীয়ভাবে নারিকেল জিঞ্জিরা নামে পরিচিত সেন্টমার্টিন দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ, টেকনাফ উপদ্বীপের দক্ষিণ প্রান্ত থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দূরে সাগরের বুকে। তীরজুড়ে ছড়িয়ে আছে মৃত প্রবাল আর পাথর, শীতে পানি হয়ে ওঠে স্বচ্ছ নীল, আর বালুময় পথের দুই ধারে সারি সারি নারকেলগাছ।
বেশিরভাগ পর্যটক হেঁটে বা সাইকেলে দ্বীপ ঘুরে দেখেন, সৈকতে বসে তাজা মাছ আর ডাব খান, পশ্চিম পাড়ে দাঁড়িয়ে সূর্যাস্ত দেখেন। ভাটার সময় দক্ষিণ প্রান্তের ছোট্ট পাথুরে দ্বীপ ছেঁড়াদ্বীপে হেঁটে যাওয়া যায়। প্রবাল প্রতিবেশ নাজুক বলে সরকার এখন পর্যটকের সংখ্যা ও ভ্রমণের মৌসুম দুটোই সীমিত করে দিয়েছে।
কীভাবে যাবেন
অনুমোদিত মৌসুমে সকালবেলা কক্সবাজারের নুনিয়াছড়া বিআইডব্লিউটিএ জেটি থেকে জাহাজ ছাড়ে, এক পথে লাগে প্রায় ৬-৭ ঘণ্টা; যাওয়া-আসার ভাড়া মোটামুটি ২,৫০০-৬,০০০ টাকা, আর টিকিটের জন্য সরকারের অনলাইন নিবন্ধন বাধ্যতামূলক। দ্বীপে হেঁটে কিংবা ভ্যান বা ইজিবাইকে ঘোরা যায়।
কোথায় থাকবেন
দ্বীপের রিসোর্ট ও কটেজের ভাড়া ২,০০০-১০,০০০ টাকা, তবে মৌসুমের একটি অংশেই কেবল রাত্রিযাপনের অনুমতি থাকে; অন্য সময় কক্সবাজারে থেকে দিনে দিনে ঘুরে আসতে হয়।