ইনানী সমুদ্রসৈকত
মেরিন ড্রাইভের ধারে তুলনামূলক নিরিবিলি সৈকত, ভাটায় জেগে ওঠা প্রবালঢাকা পাথরের জন্য বিখ্যাত।
কক্সবাজার থেকে মেরিন ড্রাইভ ধরে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দক্ষিণে উখিয়া উপজেলায় ইনানী, যেখানে পাহাড় এসে মিশেছে সৈকতের কাছাকাছি আর ভিড়ও অনেক কম। ভাটার সময় জেগে ওঠা প্রবালের আস্তরণে ঢাকা কালচে পাথরের জন্য এই সৈকত বিখ্যাত; পাথরের ফাঁকে জমে থাকা পানি আর সূর্যাস্ত মিলে তৈরি হয় ছবির মতো দৃশ্য।
কলাতলীর তুলনায় এখানকার পানি সাধারণত শান্ত ও পরিষ্কার। এক পাশে পাহাড় আর অন্য পাশে সমুদ্র রেখে মেরিন ড্রাইভের যাত্রাটাই ভ্রমণের অর্ধেক আনন্দ। আশপাশে কয়েকটি বড় রিসোর্ট গড়ে উঠলেও সৈকত এখনো খোলামেলা। পাথরগুলো ভালোভাবে দেখতে ভাটার সময় মিলিয়ে যান।
কীভাবে যাবেন
কলাতলী থেকে মেরিন ড্রাইভ ধরে সিএনজি, চাঁদের গাড়ি বা ইজিবাইকে (প্রায় ৪৫-৬০ মিনিট; শেয়ার জিপে জনপ্রতি ১০০-১৫০ টাকা, রিজার্ভ সিএনজি যাওয়া-আসা ৬০০-১,০০০ টাকা)।
কোথায় থাকবেন
ইনানী ও জালিয়াপালংয়ের অভিজাত রিসোর্ট (১০,০০০-৩০,০০০ টাকা), অথবা কক্সবাজার শহরের বাজেট থেকে মাঝারি মানের হোটেল।