নিকলী হাওর

বর্ষায় জল আর আকাশ মিলে যাওয়া বিশাল হাওর, যার বুক চিরে চলে গেছে উঁচু বেড়িবাঁধ।

নিকলী হাওর
Frameofashik / CC BY-SA 4.0

কিশোরগঞ্জের বড় হাওরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সহজে পৌঁছানো যায় নিকলীতে। বর্ষায়, মোটামুটি জুন থেকে অক্টোবর, উপজেলা সদরের চারপাশের মাঠ ডুবে তৈরি হয় দিগন্তজোড়া জলরাশি; মাঝে মাঝে শুধু গ্রামের ভিটা, হিজল-করচ গাছ আর জেলেদের নৌকা।

নিকলীর উঁচু বেড়িবাঁধ এখন জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থান। ঘাট থেকে ইঞ্জিনচালিত নৌকা ভাড়া করে হাওরে ভেসে বেড়ানো, দ্বীপের মতো গ্রাম ঘোরা কিংবা ছাতিরচরের মতো চরে নেমে গোসল করা যায়। জলের ওপর সূর্যাস্ত দেখার মতো। শীতে পানি নেমে গেলে চারদিক ভরে ওঠে সবুজ ধানখেত আর চারণভূমিতে।

কীভাবে যাবেন

কিশোরগঞ্জ শহর থেকে সিএনজি বা বাসে নিকলী (প্রায় ১ ঘণ্টা, ৮০-১৫০ টাকা)। নিকলী ঘাটে কয়েক ঘণ্টার জন্য ইঞ্জিন নৌকা ভাড়া মোটামুটি ১,৫০০-৪,০০০ টাকা, দল বেঁধে গেলে খরচ ভাগ হয়ে যায়।

কোথায় থাকবেন

নিকলীতে কয়েকটি সাধারণ গেস্টহাউস ও সরকারি রেস্টহাউস (১,০০০-২,৫০০ টাকা), অথবা কিশোরগঞ্জ শহরে (১,৫০০-৪,০০০ টাকা)।

ভ্রমণ টিপস: নৌকায় অবশ্যই লাইফ জ্যাকেট চেয়ে নিন, ঝড়-বৃষ্টি বা অন্ধকারে হাওরে নামবেন না; পানিতে ছায়া নেই, তাই রোদ থেকে বাঁচার ব্যবস্থা রাখুন।

আপনার আরও ভালো লাগতে পারে