তিনবিঘা করিডোর ও দহগ্রাম

ভারতের একফালি ভূমি, যা মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহলকে যুক্ত করেছে।

স্থাপনা লালমনিরহাট, রংপুর এখন ঘোরার ভালো সময়
তিনবিঘা করিডোর ও দহগ্রাম
Kingshuk Mondal / CC BY 4.0

দক্ষিণ এশিয়ার মানচিত্রে তিনবিঘা এক অদ্ভুত জায়গা। প্রায় ১৭৮ মিটার লম্বা আর ৮৫ মিটার চওড়া ভারতের এই ভূখণ্ডই মূল ভূখণ্ডের পাটগ্রামের সঙ্গে ভারতবেষ্টিত বাংলাদেশি ছিটমহল দহগ্রাম-আঙ্গরপোতার একমাত্র স্থলসংযোগ। বহু বছর ধরে করিডোরটি দিনের নির্দিষ্ট সময় খোলা থাকত; ২০১১ সাল থেকে বাংলাদেশিদের জন্য এটি দিনরাত চব্বিশ ঘণ্টা খোলা।

কাঁটাতারঘেরা করিডোর দিয়ে হেঁটে বা গাড়িতে পার হওয়ার সময় আড়াআড়িভাবে ভারতের একটি রাস্তা অতিক্রম করতে হয়, তারপর ঢোকা যায় দহগ্রামে—গ্রাম, খেত আর তিস্তা নদী নিয়ে নিরিবিলি এক জনপদ। নিজের দেশের ভেতরে থাকতেই বিদেশি রাস্তা পার হওয়ার এই অভিজ্ঞতাই এখানকার মূল আকর্ষণ, সঙ্গে নদীপাড়ের শান্ত দৃশ্য।

কীভাবে যাবেন

লালমনিরহাট থেকে বাসে বা বুড়িমারীগামী ট্রেনে পাটগ্রাম (প্রায় ৯০ কিলোমিটার, আড়াই-তিন ঘণ্টা, ১৫০-২৫০ টাকা), সেখান থেকে অটোরিকশায় প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে করিডোর (২০ মিনিট, ৫০-১০০ টাকা)।

কোথায় থাকবেন

পাটগ্রামে কয়েকটি সাধারণ হোটেল আছে (৮০০-২,০০০ টাকা); আরামদায়ক থাকার জন্য লালমনিরহাট বা রংপুরে থাকুন।

ভ্রমণ টিপস: জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট সঙ্গে রাখুন। সীমান্তরক্ষী ও কাঁটাতারের ছবি তোলা নিরুৎসাহিত, তাই বিজিবির নির্দেশনা মেনে নির্ধারিত পথে চলুন।

আপনার আরও ভালো লাগতে পারে