তাজহাট জমিদারবাড়ি

বিশ শতকের শুরুর সাদা জমিদার প্রাসাদ, মার্বেলের সিঁড়ি আর ভেতরে রংপুর জাদুঘর।

ঐতিহাসিক রংপুর, রংপুর এখন ঘোরার ভালো সময়
তাজহাট জমিদারবাড়ি
Cerium4B / CC BY 4.0

রংপুর শহরের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে তাজহাট জমিদারবাড়ি; সামনের পুকুরের পানিতে এর লম্বা সাদা সম্মুখভাগ আর মাঝের গম্বুজের ছায়া পড়ে। বিশ শতকের গোড়ায় মহারাজা কুমার গোপাল লাল রায় এটি নির্মাণ করেন; শোনা যায়, তাঁর পরিবার রত্নের ব্যবসা করে বিত্তশালী হয়েছিল। ইতালীয় মার্বেলে তৈরি মাঝখানের প্রশস্ত সিঁড়িটিই এখানকার সবচেয়ে বেশি ছবি তোলা জায়গা।

নানা সময়ে নানা কাজে ব্যবহারের পর—আশির দশকে কিছুকাল এখানে হাইকোর্টের বেঞ্চও বসত—প্রাসাদটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সংরক্ষণে আসে, আর ওপরতলায় চালু হয় রংপুর জাদুঘর। গ্যালারিতে আছে পোড়ামাটির ফলক, পাথরের মূর্তি, মুদ্রা আর পুরোনো সংস্কৃত ও আরবি পাণ্ডুলিপি। চারপাশের সবুজ মাঠ আর আমবাগানে হাঁটতেও ভালো লাগে।

কীভাবে যাবেন

শহরের কেন্দ্র (জাহাজ কোম্পানি মোড়) থেকে তাজহাট ৩-৪ কিলোমিটার। রিকশা বা ব্যাটারিচালিত রিকশায় ১৫ মিনিট (৩০-৬০ টাকা)।

কোথায় থাকবেন

রংপুর শহরে পর্যটন মোটেলসহ ১,৫০০ থেকে ৮,০০০ টাকার নানা মানের হোটেল আছে।

ভ্রমণ টিপস: প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অন্যান্য স্থাপনার মতো এটিও রবিবার পুরো দিন ও সোমবার দুপুর পর্যন্ত বন্ধ থাকে। জাদুঘরের গ্যালারির ভেতরে ছবি তোলা নিষেধ।

আপনার আরও ভালো লাগতে পারে