শুভসন্ধ্যা সমুদ্রসৈকত

তালতলীতে তিন নদীর মোহনায় ঝাউবনঘেরা নিরিবিলি সৈকত, সূর্যাস্তের জন্য বিখ্যাত।

শুভসন্ধ্যা সমুদ্রসৈকত

'শুভসন্ধ্যা' নামের এই সৈকত তালতলী উপজেলার নিশানবাড়িয়ায়, প্রায় সাড়ে ৪ কিলোমিটার লম্বা; সামনেই পায়রা, বিষখালী আর বলেশ্বর নদী মিশেছে বঙ্গোপসাগরে। নামের মতোই এখানকার সোনালি সূর্যাস্ত সবার প্রিয়।

বন বিভাগের লাগানো ঝাউগাছের সারি ছায়া দিয়ে রেখেছে সৈকতের পেছন দিক, আর জেলে আর কিছু স্থানীয় দর্শনার্থী ছাড়া সৈকত প্রায় সব সময়ই ফাঁকা। লাল কাঁকড়া, শীতের অতিথি পাখি আর পানির ওপারে ফাতরার বনের দৃশ্য এর সৌন্দর্য বাড়িয়েছে। কাছের তালতলীর রাখাইন পাড়া, তাদের বৌদ্ধবিহার আর তাঁতশিল্প ঘুরে দেখলে ভ্রমণ আরও পূর্ণ হয়।

কীভাবে যাবেন

বরগুনা শহর থেকে বাস বা সিএনজিতে তালতলী (১-দেড় ঘণ্টা, ভাড়া ৬০-১২০ টাকা), সেখান থেকে অটো বা মোটরসাইকেলে সৈকত ২০-৩০ মিনিট (১০০-২০০ টাকা)।

কোথায় থাকবেন

তালতলীর সাধারণ গেস্টহাউস বা বরগুনা শহরের হোটেল (৮০০-২,৫০০ টাকা); অনেকে কুয়াকাটায় থেকে এখানে ঘুরে যান।

ভ্রমণ টিপস: দোকানপাট কম, তাই পানি আর শুকনো খাবার নিয়ে যান। সূর্যাস্ত পর্যন্ত থাকুন, তবে ফেরার বাহন আগেই ঠিক করে রাখুন।

আপনার আরও ভালো লাগতে পারে