পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার (সোমপুর মহাবিহার)
ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য: অষ্টম শতকের বিশাল পাল আমলের বিহার, হিমালয়ের দক্ষিণে বৌদ্ধ শিক্ষার অন্যতম বড় কেন্দ্র।
অষ্টম শতকের শেষভাগে পাল রাজা ধর্মপাল সোমপুর মহাবিহার প্রতিষ্ঠা করেন; প্রায় ৩০০ মিটার চওড়া উঠানের চারপাশে ১৭৭টি কক্ষ নিয়ে এটি এক বিশাল বর্গাকার বিহার। মাঝখানে উঠে গেছে ক্রুশাকার কেন্দ্রীয় মন্দির, যার ধাপে ধাপে উঁচু দেয়ালে শত শত পোড়ামাটির ফলকে পশুপাখি, দেবদেবী আর দৈনন্দিন জীবনের ছবি।
এর নকশা মিয়ানমার আর জাভা পর্যন্ত বৌদ্ধ স্থাপত্যে প্রভাব ফেলেছিল, সে কারণেই ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো একে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত করে। প্রবেশপথের কাছের জাদুঘরে খননে পাওয়া মূর্তি, মুদ্রা আর মৃৎপাত্র রাখা আছে। বিহারের প্রাচীর ঘুরে টেরাকোটা ফলকগুলো কাছ থেকে দেখতে অন্তত অর্ধেক দিন হাতে রাখুন।
কীভাবে যাবেন
নওগাঁ শহর থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার উত্তরে বদলগাছী উপজেলায় পাহাড়পুর। বাসে বদলগাছী (প্রায় ১ ঘণ্টা, ৬০-৮০ টাকা), সেখান থেকে অটোতে পাহাড়পুর (২০ মিনিট, ৩০-৫০ টাকা)। জয়পুরহাটের জামালগঞ্জ স্টেশন থেকেও মাত্র ৫ কিলোমিটার।
কোথায় থাকবেন
বেশিরভাগ পর্যটক নওগাঁ বা জয়পুরহাট শহরে থাকেন (১,০০০-৩,০০০ টাকা), অথবা বগুড়া থেকে দিনে দিনে ঘুরে যান।