পাগলা দেওয়ান বধ্যভূমি

উত্তরবঙ্গে ১৯৭১ সালের সবচেয়ে বড় বধ্যভূমি, সীমান্তের কাছে এখন যেখানে স্মৃতিসৌধ দাঁড়িয়ে।

পাগলা দেওয়ান বধ্যভূমি

মুক্তিযুদ্ধের সময় চকবরকত ইউনিয়নের পাগলা দেওয়ানে সীমান্তের কাছে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ক্যাম্প ছিল। বগুড়া, নওগাঁ, নাটোর, পাবনাসহ নানা জায়গা থেকে ভারতের দিকে পালাতে থাকা হাজারো মানুষকে এখানে আটকে হত্যা করা হয়, আর আশপাশের খেতে গণকবর দেওয়া হয়।

সেখানে এখন একটি স্মৃতিসৌধ ও শহীদদের স্মরণে ছোট প্রদর্শনী রয়েছে। জায়গাটি নিসর্গ দেখার নয়, বরং মনকে ভারাক্রান্ত করার মতো; তবে উত্তরের জেলাগুলোতে একাত্তরকে বুঝতে এটি গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয় মানুষ সাধারণত আগ্রহ নিয়েই তাঁদের জানা কথা শোনান।

কীভাবে যাবেন

জয়পুরহাট শহর থেকে সীমান্তের দিকে কয়েক কিলোমিটার পশ্চিমে। শহর থেকে অটো বা সিএনজি রিজার্ভ নিন (প্রায় ২০ মিনিট, অপেক্ষাসহ আসা-যাওয়া ১৫০-২৫০ টাকা)।

কোথায় থাকবেন

জয়পুরহাট শহরে সাধারণ মানের হোটেল (৮০০-২,৫০০ টাকা); দেড় ঘণ্টা দূরের বগুড়ায় আরও ভালো বিকল্প আছে।

ভ্রমণ টিপস: এটি গণকবর, তাই শ্রদ্ধাশীল আচরণ করুন। এলাকাটি সীমান্তের কাছে, পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখুন এবং কাঁটাতারের দিকে যাবেন না।

আপনার আরও ভালো লাগতে পারে