নিঝুম দ্বীপ

হাতিয়ার কাছে দুর্গম দ্বীপ জাতীয় উদ্যান — হাজারো চিত্রা হরিণ, ম্যানগ্রোভ বন আর জনশূন্য সৈকত।

নিঝুম দ্বীপ
Md Saiful Islam Khan (Aopu) / CC BY-SA 4.0

হাতিয়ার দক্ষিণ প্রান্তে, মেঘনা যেখানে বঙ্গোপসাগরে মিশেছে, সেখানে নিচু বালুময় দ্বীপ নিঝুম দ্বীপ। ২০০১ সালে জাতীয় উদ্যান ঘোষিত দ্বীপটি বন বিভাগের লাগানো কেওড়া বনে ঢাকা; সত্তরের দশকে ছাড়া অল্প কয়েকটি হরিণ থেকে বংশবৃদ্ধি করে এখানকার চিত্রা হরিণের সংখ্যা এখন কয়েক হাজার।

ভোর আর বিকেলে নামার বাজার বা চৌধুরীর খালের কাছে বনের কিনারে হরিণের পাল দেখার সবচেয়ে ভালো সময়; সঙ্গে দেখা মেলে বানর, বুনো শূকর আর শীতে কাদাচরে পরিযায়ী পাখির ঝাঁক। বিদ্যুৎ সামান্য, পর্যটকও কম — দ্বীপটি সত্যিই তার নামের মতোই নিঝুম।

কীভাবে যাবেন

মাইজদী/সোনাপুর থেকে সিএনজিতে চেয়ারম্যান ঘাট (প্রায় দেড় ঘণ্টা), সেখান থেকে সি-ট্রাক বা ট্রলারে হাতিয়ার নলচিরা ঘাট (প্রায় দেড়-২ ঘণ্টা, ১৫০-২৫০ টাকা), তারপর মোটরসাইকেলে মোক্তারঘাট (প্রায় দেড় ঘণ্টা) এবং ছোট নৌকায় পার হয়ে নিঝুম দ্বীপ। চাইলে ঢাকা থেকে রাতের লঞ্চে সরাসরি হাতিয়াও যাওয়া যায়।

কোথায় থাকবেন

নামার বাজারের সাধারণ মানের রিসোর্ট ও গেস্টহাউস (১,০০০-৩,৫০০ টাকা), নিঝুম রিসোর্টসহ।

ভ্রমণ টিপস: মে থেকে সেপ্টেম্বর মেঘনার মোহনা উত্তাল থাকে, ট্রলারও বাতিল হতে পারে — এ সময়ে পারাপার এড়িয়ে চলুন। হরিণ দেখার ভালো সুযোগ পেতে স্থানীয় গাইড নিয়ে ভোরে নিঃশব্দে বনে ঢুকুন।

আপনার আরও ভালো লাগতে পারে