নাটোর রাজবাড়ি
রানী ভবানীর রাজবংশের অষ্টাদশ শতকের প্রাসাদ চত্বর, ছায়াঘেরা মাঠে মন্দির আর পুকুর।
অষ্টাদশ শতকের গোড়ায় রাজা রামজীবন নাটোর রাজ প্রতিষ্ঠা করেন, আর রানী ভবানীর আমলে এটি বাংলার অন্যতম বৃহৎ জমিদারিতে পরিণত হয়; তাঁর দানশীলতা ও শাসনদক্ষতা আজও কিংবদন্তি। বঙ্গজলের এই চত্বর বড় তরফ আর ছোট তরফ—এই দুই প্রাসাদে ভাগ করা, চারপাশে পরিখা, পুকুর আর পুরোনো গাছ।
রং চটে গেলেও জাঁকালো প্রাসাদ ভবন, কয়েকটি শিব ও কৃষ্ণ মন্দির আর সাজানো লন ঘুরে দেখা যায়; পুরো চত্বর এখন উদ্যান হিসেবে রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়। স্থানীয় পরিবারগুলোর প্রিয় বেড়ানোর জায়গা এটি, আর পুরোনো দালানের খানিকটা বিষণ্ণ আবহ ধীরেসুস্থে বিকেলে হাঁটার জন্য মানানসই।
কীভাবে যাবেন
নাটোর শহরের কেন্দ্র (মাদ্রাসা মোড়/কানাইখালী) থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার; অটোরিকশায় জনপ্রতি ২০-৪০ টাকা বা রিজার্ভ ৮০-১২০ টাকা।
কোথায় থাকবেন
নাটোর শহরে কয়েকটি সাধারণ ও মাঝারি মানের হোটেল আছে (৮০০-৩,০০০ টাকা); এক ঘণ্টা দূরের রাজশাহীতে বিকল্প আরও বেশি।