মাওয়া ঘাট ও পদ্মাপাড়
পদ্মার পুরোনো ফেরিঘাট, এখন ইলিশ ভাজা আর পদ্মা সেতুর দৃশ্যের জন্য বিখ্যাত।
কয়েক দশক ধরে মাওয়া ছিল ঢাকা থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে যাওয়ার ব্যস্ত ফেরিঘাট। ২০২২ সালে পদ্মা সেতু চালুর পর ফেরি কমে গেলেও মাওয়া নিজেকে নতুন করে গড়ে নিয়েছে রাজধানীবাসীর ছুটির দিনের গন্তব্য হিসেবে।
মূল আকর্ষণ খাবার: নদীর পাড়ের সারি সারি হোটেলে চোখের সামনে তাজা ইলিশ ভেজে গরম ভাত, ইলিশের ডিম ভাজা আর ডাল দিয়ে পরিবেশন করা হয়। খাওয়ার পর নৌকা ভাড়া করে বিশাল পদ্মায় ভেসে বেড়ানো, নদীর এপার-ওপার জোড়া বিশাল সেতু দেখা কিংবা চরে নামা যায়। সূর্যাস্তে আকাশের গায়ে সেতুর অবয়ব দেখতে নদীতে থাকার সেরা সময়।
কীভাবে যাবেন
মুন্সীগঞ্জ শহর থেকে বাস বা সিএনজিতে শ্রীনগর হয়ে মাওয়া (প্রায় ১ ঘণ্টা, ৮০-২০০ টাকা)। বেশির ভাগ মানুষ অবশ্য ঢাকা থেকে এক্সপ্রেসওয়ের বাসে সরাসরি আসেন (প্রায় ১ ঘণ্টা, ১০০-১৫০ টাকা)।
কোথায় থাকবেন
মাওয়া ও লৌহজংয়ের আশপাশে নদীতীরের রিসোর্ট, যেমন পদ্মা রিসোর্ট—রাতপ্রতি মোটামুটি ৪,০০০-১২,০০০ টাকা।