যশোরেশ্বরী কালীমন্দির
রাজা প্রতাপাদিত্যের স্মৃতিবিজড়িত ঈশ্বরীপুরের প্রাচীন মন্দির, অন্যতম শক্তিপীঠ।
শ্যামনগর উপজেলার ঈশ্বরীপুরে অবস্থিত যশোরেশ্বরী কালীমন্দিরকে হিন্দুধর্মের শক্তিপীঠগুলোর একটি হিসেবে গণ্য করা হয়—বিশ্বাস অনুযায়ী এসব জায়গায় দেবী সতীর দেহাংশ পড়েছিল। ষোলো শতকে এ অঞ্চলে রাজধানী গড়া যশোরের রাজা প্রতাপাদিত্যের নামের সঙ্গে বর্তমান মন্দিরটি ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত।
কয়েক দফা সংস্কার হলেও পুরু দেয়াল, খিলানওয়ালা প্রবেশপথ আর পুরোনো আঙিনায় এখনো প্রাচীনত্বের ছাপ স্পষ্ট। অলংকার আর বস্ত্রে ঢাকা কালো দেবীমূর্তির কেবল মুখমণ্ডল দেখা যায়। বাংলাদেশ ও ভারত থেকে ভক্তরা আসেন, বিশেষ করে কালীপূজার সময়। কাছেই প্রতাপাদিত্যের আমলের ধ্বংসাবশেষ, যার মধ্যে হাম্মামখানা নামে পরিচিত পুরোনো স্নানাগার উল্লেখযোগ্য।
কীভাবে যাবেন
সাতক্ষীরা থেকে বাসে শ্যামনগর (প্রায় ২ ঘণ্টা, ভাড়া ১০০-১৩০ টাকা), সেখান থেকে অটো বা ইজিবাইকে মিনিট পনেরোয় ঈশ্বরীপুর (৩০-৬০ টাকা)।
কোথায় থাকবেন
শ্যামনগর বা মুন্সীগঞ্জের গেস্টহাউস (১,০০০-৩,৫০০ টাকা); সেখান থেকেই সুন্দরবন ভ্রমণের সঙ্গে মিলিয়ে নিন।