যমুনা সেতু

যমুনার ওপর ৪.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ বহুমুখী সেতু, যা উত্তরবঙ্গকে ঢাকার সঙ্গে যুক্ত করেছে; পশ্চিম প্রান্তে নদী দেখার জায়গা।

স্থাপনা সিরাজগঞ্জ, রাজশাহী এখন ঘোরার ভালো সময়
যমুনা সেতু
Mahbub Shaheed / Prometheus-BD / CC BY-SA 2.0

১৯৯৮ সালে চালু হওয়া যমুনা বহুমুখী সেতু বহু বছর দক্ষিণ এশিয়ার দীর্ঘতম সেতু ছিল, আর ঢাকা ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের যাতায়াত পুরোপুরি বদলে দিয়েছে। পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ বহুধারার নদীর ওপর দিয়ে এটি সড়ক, রেলপথ, গ্যাসলাইন আর বিদ্যুতের লাইন বয়ে নিয়ে গেছে।

সিরাজগঞ্জ প্রান্তে পশ্চিম গাইড বাঁধ ও আশপাশের ইকোপার্ক এলাকায় মানুষ আসে নদীর ওপর সূর্যাস্ত আর দিগন্ত পর্যন্ত ছড়ানো স্প্যানের সারি দেখতে। পাশেই এর সমান্তরালে চলে গেছে নতুন রেলসেতু। স্থানীয় ঘাট থেকে নৌকায় ঘুরলে চরগুলো আরও কাছ থেকে দেখা যায়।

কীভাবে যাবেন

সিরাজগঞ্জ শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে সেতুর পশ্চিম প্রান্ত। সিএনজি বা অটোতে সেতুর পশ্চিম পাড় বা সয়দাবাদ (আধা ঘণ্টা, জনপ্রতি ৫০-১০০ টাকা, রিজার্ভ ৩০০-৪০০ টাকা)।

কোথায় থাকবেন

সিরাজগঞ্জ শহরে (৮০০-৩,০০০ টাকা) অথবা সেতুর সংযোগ সড়কের পাশের হোটেল-রিসোর্টে থাকুন (২,৫০০-৮,০০০ টাকা)।

ভ্রমণ টিপস: সেতুর ওপর থামা বা ছবি তোলা নিষেধ; গাইড বাঁধ থেকে দৃশ্য উপভোগ করুন। সূর্যাস্তের সময় যাওয়াই ভালো।

আপনার আরও ভালো লাগতে পারে