জাফলং
সীমান্তে মেঘালয়ের কুয়াশামাখা পাহাড় থেকে নেমে আসা স্বচ্ছ পাথুরে নদী—সিলেটের চিরচেনা ছবি।
গোয়াইনঘাট উপজেলায় বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে জাফলং, যেখানে মেঘালয়ের খাসিয়া-জৈন্তিয়া পাহাড় থেকে নেমে এসেছে ডাউকি নদী, ভাটিতে যার নাম পিয়াইন। কুয়াশামাখা নীল পাহাড়, ওপারে ডাউকির ঝুলন্ত সেতু আর পাথরের বিছানার ওপর দিয়ে বয়ে চলা সবুজ পানি—সব মিলিয়ে এটাই সিলেটের সবচেয়ে পরিচিত দৃশ্য।
পর্যটকেরা নৌকা ভাড়া করে নদী পার হন, পাথর বিছানো তীর ধরে হাঁটেন আর শ্রমিকদের পাথর তোলা দেখেন। নদীর ওপাশে খাসিয়াদের পানপুঞ্জি। শীতে পানি স্বচ্ছ হলেও কমে যায়; বর্ষায় নদী ভরা আর পাহাড় সবচেয়ে সবুজ থাকে, তবে তখন স্রোত ভয়ংকর রকম তীব্র।
কীভাবে যাবেন
সিলেট থেকে তামাবিল মহাসড়ক ধরে জাফলং প্রায় ৬০ কিলোমিটার, দেড়-দুই ঘণ্টার পথ। শিবগঞ্জ বা সোবহানীঘাট থেকে লোকাল বাসে ভাড়া ৮০-১২০ টাকা; সিএনজি বা মাইক্রোবাস রিজার্ভ নিলে আসা-যাওয়া ২,৫০০-৪,০০০ টাকা। নদীতে নৌকা ভাড়া ৫০০-১,০০০ টাকা।
কোথায় থাকবেন
বেশিরভাগ পর্যটক রাতে সিলেট শহরে ফিরে আসেন (১,৫০০-৫,০০০ টাকা)। জাফলং ও তামাবিলের কাছে কিছু ছোট হোটেল-রিসোর্টে ২,০০০-৬,০০০ টাকায় রুম পাওয়া যায়।