যাদুকাটা নদী

খাসিয়া পাহাড় থেকে নেমে আসা নীল-সবুজ স্বচ্ছ নদী, দুপাশে ফ্যাকাশে বালুর চর।

যাদুকাটা নদী
Abu Hasan Mehedi / CC BY 2.0

মেঘালয়ের খাসিয়া পাহাড় থেকে নেমে বারিক্কা টিলার পাশ দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকেছে যাদুকাটা, তারপর ছড়িয়ে পড়েছে স্বচ্ছ পানি আর ফ্যাকাশে বালুর চওড়া খাতে। শীতে নদী অগভীর আর কাচের মতো নীল-সবুজ থাকে; তখন শত শত ছোট নৌকায় শ্রমিকেরা হাতে বালু আর পাথর তোলেন, পাহাড়ের পটভূমিতে সে এক দেখার মতো দৃশ্য।

অল্প সময়ের নৌকাপারাপারে বারিক্কা টিলার পাড় থেকে শিমুল বাগানে যাওয়া যায়। অনেকে শুধু বালুচরে বসে সন্ধ্যার আলো বদলে যাওয়া দেখেন। প্রতি বসন্তে লাউড়ের কাছে নদীতে হিন্দু সম্প্রদায়ের পণাতীর্থ স্নানে হাজারো পুণ্যার্থী আসেন। বর্ষায় যাদুকাটা ফুলে ওঠে, স্রোতও তীব্র হয়, তাই তখন নৌকায় সাবধান থাকুন।

কীভাবে যাবেন

সুনামগঞ্জ শহর থেকে সুরমা পার হয়ে মোটরসাইকেলে বারিক্কা টিলার পাড় ১-দেড় ঘণ্টা (একপথে ৩০০-৫০০ টাকা)। নৌকায় নদী পারাপার জনপ্রতি ২০-৫০ টাকা; এক ঘণ্টার জন্য পুরো নৌকা মোটামুটি ৫০০-৮০০ টাকা।

কোথায় থাকবেন

সুনামগঞ্জ শহরে (১,০০০-৩,৫০০ টাকা) অথবা টাঙ্গুয়ার হাওরের হাউসবোটে থাকুন।

ভ্রমণ টিপস: নভেম্বর থেকে মার্চের শুকনো মাসে পানির রং সবচেয়ে সুন্দর। বালু তোলার নৌকার কাছে সাঁতার কাটবেন না, সেখানে তলদেশ উঁচুনিচু আর গভীর।

আপনার আরও ভালো লাগতে পারে