হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ও লালন শাহ সেতু, পাকশী

পদ্মার ওপর শতবর্ষী ইস্পাতের রেলসেতু, পাকশীতে পাশেই আধুনিক লালন শাহ সড়কসেতু।

স্থাপনা পাবনা, রাজশাহী এখন ঘোরার ভালো সময়
হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ও লালন শাহ সেতু, পাকশী
Shahriar Amin Fahim247 / CC BY-SA 4.0

১৯১৫ সালে চালু হওয়া হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পাবনার পাকশী আর কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার মাঝে পদ্মার ওপর দিয়ে রেলপথ বয়ে নিয়ে গেছে। প্রায় ১১০ মিটার লম্বা পনেরোটি ইস্পাতের স্প্যানের কারণে এটি ব্রিটিশ ভারতের অন্যতম বড় প্রকৌশলকীর্তি। ১৯৭১ সালের যুদ্ধে একটি স্প্যান ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পরে মেরামত করা হয়—এ গল্প স্থানীয়রা আগ্রহ নিয়ে শোনান।

ঠিক পাশেই ২০০৪ সালে চালু হওয়া লালন শাহ সড়কসেতু; পাকশীর নদীপাড় থেকে দুই সেতু একসঙ্গে দারুণ দৃশ্য তৈরি করে। মানুষ এখানে আসে ট্রেনের গমগম শব্দে সেতু পার হওয়া দেখতে, স্প্যানের নিচ দিয়ে নৌকায় ঘুরতে আর নদীপাড়ের খাবারের দোকানে পদ্মার তাজা ইলিশ খেতে।

কীভাবে যাবেন

ঈশ্বরদী হয়ে পাবনা শহর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার পশ্চিমে পাকশী। বাসে ঈশ্বরদী (৪৫ মিনিট, ৫০-৭০ টাকা), সেখান থেকে অটোতে পাকশী (২০ মিনিট, ২০-৪০ টাকা)। সেতুর নিচে নৌকাভ্রমণ ২০০-৫০০ টাকা।

কোথায় থাকবেন

পাবনা শহর বা ঈশ্বরদীতে থাকুন (সাধারণ থেকে মাঝারি মানের হোটেল, ৮০০-৩,০০০ টাকা)।

ভ্রমণ টিপস: কখনোই সেতুর রেললাইনের ওপর দিয়ে হাঁটবেন না। বিকেলে আলো সবচেয়ে সুন্দর থাকে, নদীর হাওয়াও শীতল।

আপনার আরও ভালো লাগতে পারে