ঘাগড়া খান বাড়ি মসজিদ

শিলালিপি অনুযায়ী ১৬১৯ সালের দিকে নির্মিত ছোট ইটের মসজিদ, শেরপুরের প্রাচীনতম স্থাপনাগুলোর একটি।

ঘাগড়া খান বাড়ি মসজিদ
Shahnewaj jasim / CC BY-SA 4.0

শেরপুর শহরের উত্তরে ঘাগড়া লস্কর গ্রামের খান বাড়িতে এই ছোট্ট ইটের মসজিদ জেলার প্রাচীনতম স্থাপনাগুলোর একটি। দরজার ওপরের পাথরের শিলালিপি অনুযায়ী এটি ১০২৮ হিজরিতে, অর্থাৎ ১৬১৯ খ্রিস্টাব্দের দিকে নির্মিত—মোগল আমলের শুরুর দিকে, যখন এই সীমান্ত অঞ্চল সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হচ্ছিল।

মসজিদে এখনো নামাজ হয়। পুরু দেয়াল, ছোট আকার আর সাদামাটা অলংকরণ একে দিয়েছে শান্ত, কালজয়ী একটা চেহারা। ঝিনাইগাতী ও গজনী যাওয়ার পথে সামান্য ঘুরে গেলেই দেখা যায়, তাই গারো পাহাড়ের পাদদেশে এক দিনের ভ্রমণের সঙ্গে খানিকটা ইতিহাসও জুড়ে নেওয়া সহজ।

কীভাবে যাবেন

শেরপুর শহর থেকে ঝিনাইগাতীর দিকে সিএনজি বা অটোরিকশায় গিয়ে ঘাগড়া লস্করে নামুন (প্রায় ৩০ মিনিট; আসা-যাওয়া ৩০০-৫০০ টাকা), অথবা গজনী যাওয়ার পথে থেমে দেখে নিন।

কোথায় থাকবেন

শেরপুর শহরে থাকুন (১,০০০-৩,০০০ টাকা)।

ভ্রমণ টিপস: এটি চালু মসজিদ; শালীন পোশাক পরুন, জুতা খুলুন, নামাজের সময় এড়িয়ে চলুন। পথনির্দেশক ফলক কম, তাই স্থানীয়দের কাছে পথ জেনে নিন।

আপনার আরও ভালো লাগতে পারে