আমঝুপি নীলকুঠি
কাজলা নদীর তীরে নীলকরদের ঔপনিবেশিক কুঠি, নীলচাষের নির্মম যুগের সাক্ষী।
উনিশ শতকে ব্রিটিশ নীলকরেরা বাংলার কৃষকদের অন্যায় শর্তে নীলচাষে বাধ্য করত; তাদের সুরক্ষিত বাংলো বা নীলকুঠি হয়ে উঠেছিল অত্যাচারের প্রতীক। মেহেরপুর শহর থেকে কয়েক কিলোমিটার পূর্বে আমঝুপির নীলকুঠি এর মধ্যে সবচেয়ে ভালোভাবে টিকে থাকাগুলোর একটি।
উঁচু ছাদ, পুরু দেয়াল আর খিলানওয়ালা বারান্দার একতলা ভবনটি কাজলা নদীর পাশে পুরোনো আম ও নানা গাছে ছাওয়া প্রশস্ত চত্বরে দাঁড়িয়ে আছে। কাছেই নীল জ্বাল দেওয়ার হাউস আর অন্যান্য স্থাপনার চিহ্ন খুঁজে পাওয়া যায়, আর স্থানীয় জনশ্রুতিতে কুঠিটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে ঔপনিবেশিক ইতিহাসের নানা নাটকীয় ঘটনা। এখন সবুজ চত্বরটি পিকনিকের জনপ্রিয় জায়গা, ছোট প্রদর্শনীতে নীলচাষের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে।
কীভাবে যাবেন
মেহেরপুর শহর থেকে চুয়াডাঙ্গা সড়কে প্রায় ৬-৭ কিলোমিটার পূর্বে; অটো বা ইজিবাইকে মিনিট বিশেক (ভাড়া ৩০-৬০ টাকা)।
কোথায় থাকবেন
মেহেরপুর শহরের হোটেল বা মুজিবনগরের পর্যটন মোটেল (৮০০-৩,০০০ টাকা)।