আহসান মঞ্জিল

বুড়িগঙ্গার তীরে ঢাকার নবাবদের গোলাপি প্রাসাদ, এখন জাদুঘর।

আহসান মঞ্জিল
Mahbub Hossain Shaheed (mahosha) / CC BY-SA 4.0

আহসান মঞ্জিল ছিল ঢাকার নবাব পরিবারের বাসভবন। ১৮৭০-এর দশকে নবাব আবদুল গনি প্রাসাদটির নির্মাণ শেষ করেন এবং ছেলে আহসানউল্লাহর নামে এর নামকরণ করেন। ১৮৮৮ সালের টর্নেডোতে বড় ক্ষতির পর নতুন করে গড়া হয় সেই উঁচু গম্বুজ, যা আজ পুরান ঢাকার প্রতীক।

নব্বইয়ের দশকে সংস্কারের পর প্রাসাদটি জাদুঘর হিসেবে খুলে দেওয়া হয়। জলসাঘর, বৈঠকখানা আর খাবারঘর সাজানো হয়েছে সে আমলের আসবাব, প্রতিকৃতি ও আলোকচিত্রে, যা ঔপনিবেশিক ঢাকার গল্প শোনায়। বুড়িগঙ্গামুখী চওড়া সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে নদীর নৌকা-লঞ্চের ব্যস্ততা দেখা এক আলাদা আনন্দ।

কীভাবে যাবেন

আহসান মঞ্জিল সদরঘাটের কাছে কুমারটুলিতে। সিএনজি বা রাইড শেয়ারে সদরঘাট বা ইসলামপুর যেতে ৩০-৬০ মিনিট, ভাড়া ১৫০-৩৫০ টাকা; চাইলে মেট্রোরেলে মতিঝিল পর্যন্ত গিয়ে রিকশাও নিতে পারেন।

কোথায় থাকবেন

ঢাকার যেকোনো কেন্দ্রীয় এলাকায় থাকা যায়; পুরান ঢাকার সবচেয়ে কাছে মতিঝিল-পল্টনের মাঝারি মানের হোটেল (২,৫০০-৬,০০০ টাকা)।

ভ্রমণ টিপস: জাদুঘর বৃহস্পতিবার বন্ধ, শুক্রবার খোলে বিকেলে। সঙ্গে সদরঘাট থেকে নৌকায় বুড়িগঙ্গা পারাপারের ছোট্ট ভ্রমণটা সেরে নিন।

আপনার আরও ভালো লাগতে পারে